খাতা কেন একসময় আর কাজ করে না
বেতনের খাতা ভুল করে ছোট ছোট জায়গায়: ভুল পাতায় লেখা, একটা মাস বাদ পড়া, কেউ অর্ধেক দিয়েছে। কারো দোষ নয়, কিন্তু মাস শেষে পড়ানোর বদলে কলাম যোগ করতে হয় — আর আসল প্রশ্নটা, কে এখনো কত বাকি, তার উত্তর বের করতে একটা সন্ধ্যা চলে যায়।
যে নিয়মে হিসাব ঠিক থাকে
- প্রতি শিক্ষার্থীর একটা মাসিক বেতন ঠিক করুন। দুই ব্যাচের বেতন আলাদা হলে বেতনটা ব্যাচের সাথে লিখে রাখুন, মনে রাখার ওপর ছেড়ে দেবেন না।
- টাকা যেদিন আসে, সেদিনই লিখুন — কে, কত, কোন মাসের, আর কীভাবে এল: ক্যাশ, বিকাশ, নগদ, রকেট বা ব্যাংক।
- বকেয়া রাখুন চলমান হিসাবে: যত দেওয়ার কথা, তা থেকে যত দিয়েছে। অর্ধেক দিলেও সেটা পেমেন্ট।
- প্রতিবার রসিদ দিন। অনেক ঝামেলা শুরুর আগেই থেমে যায়।
এই নিয়ম খাতাতেও চালানো যায়। সমস্যা হলো চলমান হিসাবটা যোগ-বিয়োগ, আর লম্বা দিনের শেষে ঠিক সেখানেই ভুল হয়।
Tutorey কীভাবে হিসাবটা রাখে
Tutorey-তে প্রতি শিক্ষার্থীর মাসিক বেতন ঠিক করে দেন, টাকা এলে এন্ট্রি দেন। মাস ধরে ধরে কে দিয়েছে, কে বাকি, কত বকেয়া — অ্যাপ নিজেই হিসাব করে, আর অ্যাপ খুললেই ড্যাশবোর্ডে এ মাসের আদায় আর বকেয়া দেখা যায়।
- প্রতিটি পেমেন্ট শিক্ষার্থীর ইতিহাসে থেকে যায় — “গত মাসে দিয়েছি” মেলাতে কয়েক সেকেন্ড লাগে।
- রসিদ PDF-এ, প্রিন্ট করা যায় — পেইড প্ল্যানে আপনার নাম আর ছবিসহ।
- শিক্ষার্থী নিজের পাতা থেকে অনলাইনেও টাকা দিতে পারে, সরাসরি আপনার বিকাশ, নগদ, রকেট বা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে। আপনি এক টাচে নিশ্চিত করলেই বকেয়া হালনাগাদ হয়।
টাকা কখনো Tutorey-র কাছে থাকে না — সরাসরি আপনার অ্যাকাউন্টে যায়। অ্যাপ শুধু হিসাবটা রাখে।
যতজন শিক্ষার্থী আছে, তা দিয়েই শুরু করুন
১০ জন শিক্ষার্থী পর্যন্ত Tutorey ফ্রি — কার্ড লাগে না, সময়সীমাও নেই — একটা ব্যাচ ঠিকমতো চালানোর জন্য যথেষ্ট। শিক্ষার্থী বাড়লে দাম শিক্ষার্থী ধরে: ৫০ জনের জন্য মাসে ৳২৫০। দেখুন বেতনের হিসাব কীভাবে কাজ করে বা দাম।